হোম / স্বাস্থ্য সেবা / ঋতুস্রাবের ব্যথা কম করার দারুণ কার্যকরী ১০ টিপস
reti

ঋতুস্রাবের ব্যথা কম করার দারুণ কার্যকরী ১০ টিপস

ঋতুস্রাবের ব্যথা কম করাঋতুস্রাব মেয়েদের স্বাভাবিক একটি বিষয়। আর এই সময়ে পেটে ব্যথা কম বেশি সব মেয়েদের হয়ে থাকে। অনেকের ব্যথার পরিমাণটা এত বেশি হয়ে থাকে যে মাসিকের সময় তাদের স্বাভাবিক কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি হয়। ঔষধ খাওয়া ছাড়াও ঘরোয়া কিছু উপায় আছে যা পেট ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেয়। আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া উপায়গুলো

১। গরম পানির প্যাক
পেটে ব্যথার জায়গায় গরম পানির সেঁক দিতে পারেন। হট ব্যাগের মধ্যে গরম পানি নিয়ে পেটের ওপর দিতে পারেন। এটি আপনার ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেবে। এছাড়া গরম পানি দিয়ে গোসলও করতে পারেন। এটিও আপনার পেটের ব্যথা কমিয়ে কিছুটা স্বস্তি হবে।

২। দুধ
প্রতিদিন সকালের নাস্তায় এক গ্লাস দুধ পান করুন। এটি আপনার শরীরের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করবে। যদি আপনি দুধ খেতে না পারেন তবে ক্যালসিয়ামের ট্যাবলেট খেতে পারেন।

৩। আদা
আদা বেশ উপাকারী ঋতুস্রাবের ব্যথা রোধের জন্য। আদা চা পান করলে এই সময় বেশ ভাল উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া কয়েক টুকরো আদা গরম পানিতে সেদ্ধ করে চাইলে এর সাথে মধু বা চিনি যোগ করে এটি দিনে তিন-চারবার পান করতে পারেন।
৪। পেঁপে
ঋতুস্রাবের ব্যথা রোধের জন্য পেঁপে খাওয়া বেশ কার্যকরী। ঋতুস্রাবের সময় নিয়মিত কাঁচা পেঁপে খান। কাঁচা পেঁপে মাসিকের ব্যথা কমিয়ে দেয়।
৫। ল্যাভেন্ডার অয়েল
মাসিকের ব্যথার সময় পেটে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল মালিশ করুন। ১০- ১৫ মিনিটের মধ্যে এটি আপনার ব্যথা কমিয়ে দেবে অনেকখানি।
৬। অ্যালোভেরা রস
অ্যালোভেরা রসের সাথে মধু মিশিয়ে একটি জুস তৈরি করে ফেলুন। মাসিকের ব্যথার সময় এটি পান করুন। দিনে কয়েকবার এটি পান করুন। ব্যথা অনেকখানি কমিয়ে দেবে এই পানীয়টি।
৭। ধনে বীজ
ধনে বীজে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটোরি উপাদান রয়েছে, যা মাসিক ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। কয়েকটা ধনে বীজ গরম পানিতে সেদ্ধ করুন। এই পানীয়টি দিনে দুইবার পান করন। এটি আপনার মাসিক ব্যথা অনেকটা কমিয়ে দেবে।
৮। কফি এড়িয়ে চলুন
এ সময়টায় কফি-জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কফিতে মূলত ক্যাফেইন থাকে যা রক্তনালীসমূহকে উত্তেজিত করে তোলে। এবং এটি পেটে অস্বস্তিকর অনুভূতি বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি।
৯। গাজর
এক গ্লাস গাজরের রস আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেটে ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে। মাসিক চলাকালীন প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের রস পান করার চেষ্টা করুন।
১০। প্রচুর পানি এবং পানীয় জাতীয় খাবার খান
দেহের শুষ্কতারোধে প্রচুর পরিমাণ পানি এবং পানিজাতীয় খাবার খান। কেননা এই সময়টায় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এছাড়া এই সময় ভিটামিন এবং মিনারেল-জাতীয় খাবার খাওয়া জরুরী। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় মিনারেল। ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার রাখার চেষ্টা করুন।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *