হোম / তথ্য-প্রযুক্তি / বছরের সেরা স্মার্টফোনগুলো
500x350_4e22570a729c47a9e5ae64a3ac22566d_pns_30_12_14

বছরের সেরা স্মার্টফোনগুলো

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনগুলো গুণগত মানের দিক থেকে আগের চেয়ে অনেক দূর এগিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা এ বছরের সেরা স্মার্টফোনগুলো চিহ্নিত করেছেন। ক্যামেরা, ভিডিও মান, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং পারফরমেন্স বিবেচনা করে এই তালিকা করা হয়েছে।

অ্যাপলের আইফোন ৭ এবং ৭ প্লাস : এ বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত স্মার্টফোন এই দুটো মডেল। অ্যাপলের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন মানেই উন্মাদনা। এবারের ফোন দুটো এসেছে হেডফোন জ্যাক ছাড়া। আইফোন ৭ প্লাস এর মাধ্যমে শক্তিশালী ব্যাটারির সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে আছে ডুয়াল ক্যামেরা এবং বেশি স্টোরেজ। দারুণ সব ছবি তোলা যায় এই ক্যামেরায়।

ফটোগ্রাফির জনপ্রিয় একটি ইফেক্ট `বোকেহ`। আইফোন ৭ প্লাসের ক্যামেরায় এই ইফেক্ট ব্যবহার করা হয়েছে। মডেলটি আইওএস ১০ নিয়ে এসেছে। ফলে আরো বেশি সফটওয়্যার কাজ করবে। আইফোন ৭ আকারে কিছুটা ছোট ব্যাটারিও কম। তা ছাড়া এতে ডুয়াল ক্যামেরা বা পোট্রাট মোডও দেওয়া হয়নি। এ বছরের সবচেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ স্মার্টফোনের দুটো মডেল এগুলো।

গুগলের পিক্সেল এবং পিক্সেল এক্সএল : টেক জায়ান্টের নিজস্ব ফোন দুটো বাজারে এসেছে সম্প্রতি। এগুলোকে পৃথিবীর সেরা অ্যান্ড্রয়েড ফোন বলা হচ্ছে। ৫.৫ ইঞ্চি পর্দার পিক্সেল এক্সএল-এ আছে স্ন্যাপড্রাগন ৮২১ প্রসেসর এবং ৪ জিবি র্যাম। দারণ শক্তিশালী এক ফোন। এটা কিছুটা গরম হলেও দ্রুত শীতল হয়। লেটেস্ট নুগেট সংস্করণ অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে বের হয়েছে ফোন দুটো।

পিক্সেরের ক্যামেরার মান আইফোনের নতুন দুটো মডেলের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। এ ছাড়া ক্যামেরা দুটো ইলেকট্রনিক ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। ফেস ডিটেকশন, লেজার অটোফোকাস এংব ডুয়াল-এলইডি (ডুয়াল টোন) ফ্ল্যাশ রয়েছে। এর ১২.৩ মেগাপিক্সেলে ক্যামেরাটি আইফোন ৭ প্লাসের ক্যামেরার মতোই বলা হচ্ছে।

স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৭ এবং এস৭ এজ : স্যামসাংয়ের দুই ফ্ল্যাগশিপ। এস সিরিজ এমনিতেই জনপ্রিয়। নিজেদের এক্সিনস প্রসেসর এবং ৪ জিবি র্যাম নিয়ে এস৭ সেরা ফোনগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এটাকে বেশ হালকা মনে হয় হাতে নিলে। ৫.৫ ইঞ্চির এইচডি ডিসপ্লের ফোনে রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। দারুণ ছবি তুলতে পারে। এর সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

ওয়ানপ্লাস ৩ এবং ৩টি : যদিও বছরের শেষে ৩টি মডেলটি এসেছে, কিন্তু এর আগেই ওয়ানপ্লাস ৩ দারুণ এক স্মার্টফোন হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে গেছে। সত্যিকার অর্থেই ওয়ালপ্লাস ৩ বিশেষজ্ঞদের চোখে দারুণ এক ফোন। কিন্তু তুলনামূলক দাম অনেক কম। ৫.৫ ইঞ্চি পর্দাটি অপটিক অ্যামোলেড।

একে অন্যান্য স্মার্টফোনের মতোই প্রিমিয়াম মনে হয়। এতে আছে স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ প্রসেসর এবং ৬ জিবি র্যাম। ব্যাটারি ৩০০০এমএএইচ। ভারী যেকোনো কাজে ফোনটি অনন্য। এর পর ৩টি এসেছে আরো উন্নত সংস্করণ নিয়ে। এর প্রসেসর আরো শক্তিশারী।

এলজি ভি২০ : এলজি জি৫ এর ব্যর্থতার পর নড়েচড়ে বসেছে কোরিয়াল জায়ান্ট। একেবারে ভরপুর স্পেসিফিকেশন নিয়ে বাজারে ছেড়েছে ভি২০। হাত থেকে পড়লে ভাঙবে না ফোনটি। এর ক্যামেরা, শব্দ এবং ভিডিও কোয়ালিটি অন্য কোনো ফোনের চেয়ে কম নয়। কোলাহলপূর্ণ স্থানেও পরিষ্কার অডিও রেকর্ডিংয়ের ওস্তাদ এই ফোন।

হুয়াউই পি৯ : ক্যামেরা ফোনের বিষয় যখন আছে তখন এই মডেলটির কথা বিবেচনা করতেই হবে। এটাই প্রথম স্মার্টফোন যা ডুয়াল ক্যামেরা নিয়ে এসেছে। এর পেছনে দেওয়া হয়েছে লেইকা ব্র্যান্ডের ডুয়াল ক্যামেরা। দারুণ কন্ট্রাস্ট-লেভেলের ছবি তোলে ফোনটি।

এছাড়াও ক্যামেরায় আছে আরো কয়েকটি মোড। ফলে ফটোগ্রাফিতে ভিন্ন আমেজ দেবে এটি। যথেষ্ট শক্তিশালী প্রসেসর এবং র্যামের সমন্বয় একে সেরা ফোনের তালিকাতে নিয়ে এসেছে। ভারী গেম এবং মাল্টি টাস্কিংয়ে দিব্যি কাজ করে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *