হোম / জাতীয় / বছরজুড়ে আলোচিত এমপি বদির কারাদণ্ড
a4592b618c6d855c44f98c92f7f82310x600x400x35

বছরজুড়ে আলোচিত এমপি বদির কারাদণ্ড

কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুর রহমান বদির অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের মামলায় তিন বছরের সাজা পাওয়ার বিষয়টি বছরজুড়েই বেশ আলোচিত ছিল।

সরকারদলীয় কোনো এমপির এমন সাজা বিরল। আইনের শাসনের দৃষ্টিকোণ থেকে এই সাজা একটা বড় দৃষ্টান্ত।

চলতি বছরের ২ নভেম্বর ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বদিকে তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া দেওয়া হয়। এর পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে পাঠানোর পর গত ১৬ নভেম্বর আবদুর রহমান বদিকে ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।  পরে ওই জামিন স্থগিত চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গত ১৭ নভেম্বর আবেদন করে।

সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দুদকের জামিন স্থগিত আবেদনে ‘নো অর্ডার’ বলে আদেশ দেন।

এই আদেশের ফলে এমপি বদি গত ২০ নভেম্বর গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে বের হন। তবে বদির আপিল শুনানি এখনো কার্যতালিকায় আসেনি। আগামী বছর এই আপিলের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আবদুর রহমান বদি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা মূল্যমানের সম্পদ গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এ ছাড়া অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য কম মূল্যে সম্পদ ক্রয় দেখিয়ে এক কোটি ৯৮ লাখ তিন হাজার ৩৭৫ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি দেখিয়েছেন।

এসব অভিযোগে দুদকের উপপরিচালক মো. আবদুস সোবহান রমনা থানায় ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট মামলা করেন।

এ ঘটনায় গত বছরের ৭ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মনজিল মোরশেদ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে বদির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে ছয় কোটি ৩৩ লাখ ৯৪২ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বলা হয়েছে, তিনি দুদকের কাছে তিন কোটি ৯৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৭ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

মামলাটিতে বদি ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর ঢাকার সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক জামিন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন।

পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর এমপি বদিকে ছয় মাসের জামিন দেন বিচারপতি সৈয়দ এ বি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *